আল্লাহ তাআলার মনোণীত দ্বীন হচ্ছে ইসলাম। ইসলামের শাশ্বত বিধি-বিধান ও চিরন্তন আদর্শের অনুসরণের মাঝেই মানবাজাতির ইহকালীন ও পরকালীন শান্তি ও কল্যাণ নিহিত। কুরআন-সুন্নাহ ও ইসলামী শরীয়তের অনুসরণের মাধ্যমেই একজন ব্যক্তির মুসলমানিত্ব পূর্ণতা পায়। আর ব্যক্তি থেকে পরিবার, পরিবার থেকে সমাজ, সমাজ থেকে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র থেকে গোটা বিশ্বে শান্তি-শৃঙ্খলা, ন্যায় পরায়ণতা ও সত্যিকারের মানবাধিকার- সব কিছুই শুধু মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিধিবিধান মেনে চলার দ্বারাই নিশ্চিত হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতিসাধন করার জন্য বাতিলের নানামুখি কর্মতৎপরতার জোয়ার প্রতিনিয়ত বাড়ছে, আর মুসলমানদের দ্বীনী চেতনাবোধ ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে এগুচ্ছে।
ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি থেকে ক্রমান্বয়ে দূরে সরে আসছে মুসলিম সমাজ। ইসলামবিদ্বেষী-ধর্মদ্রোহীদের বহুমুখী ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের চরম অবহেলা এ ক্ষেত্রে সমানভাবে দায়ী।
এ পরিস্থিতিতে হক তথা সত্য-ন্যায়ের সংরক্ষণ ও প্রচার-প্রসার এবং বাতিলের প্রতিরোধকল্পে যে মানের বুহমুখী উদ্যোগ ও কর্মতৎপরতার প্রয়োজন, সে তুলনায় আমাদের প্রস্তুতি নিতান্তই অপ্রতুল।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব পদ্ধতির মাধ্যমে সত্র, ন্যায় ও শান্তির ধর্ম ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং পরবর্তীতে খোলাফায়ে রাশেদীন, সাহাবায়ে কেরাম রা., আইম্মায়ে দ্বীন ও সালাফে সালেহীন রাহ. যেভাবে যুগোপযোগী ও বহু মুখি কর্মপন্থার মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ বিশ্বময় প্রসারিত করেছেন এবং যেভাবে যুগে যুগে তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অকৃত্রিম সাধনার ফলশ্রুতিতে পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমগ্র বিশ্বে মানুষ ইসলামের ছায়াতলে সমবেত হয়েছে, বর্তমানে সে ধারা যথাযথভাবে বহাল নেই বললেই চলে। অথচ মুসলিম সমাজকে পরিপূর্ণ ইসলামের উপর পরিচালিত করতে হলে ইসলামের খাদেমদের নিজ নিজ মেধা ও যোগ্যতানুযায়ী ঐকান্তিকতার সাথে বিভিন্নমুখি খেদমতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। দাওয়াত, তাবলীগ, তা’লীম, তাযকিয়া-সুলূক, জিহাদ, সিয়াসাত, ইকতিসাদ-সকল ক্ষেত্রে এমন যুগোপযোগী খেদমত প্রয়োজন যা সময়ের চাহিদা মেটাতে যথাযথভাবে সক্ষম।
বলাবাহুল্য, উপরোক্ত সবগুলো কাজ আঞ্জাম দেওয়া এককভাবে কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। তাই উল্লেখিত বিভাগগুলোর যে বিভাগে যারাই সহীহ তরীকায় কাজ করবেন তাদের সকলকেই পরস্পর সহানুভূতিশীল হতে হবে। একে অপরকে স্বীকৃতি প্রদান করা, সাধ্যানুযায়ী প্রয়োজনীয় সাহায্য-সহযোগিতা প্রদর্শন করা এবং অন্যের কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়াও এক্ষেত্রে অতি জরুরি।
প্রতিষ্ঠা : উপরোক্ত নীতিকে সামনে রেখে মূলত তিনটি ধারায় দ্বীনের খেদমত আঞ্জাম দেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৪১৬ হিজরীর শাওয়াল (মোতাবেক ১৯৯৬ খৃস্টাব্দের মার্চ) মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা। ধারা তিনটির শিরোনাম হচ্ছে : ১. দাওয়াত, ২. তালীম ও ৩. তাসনীফ।
দাওয়াহ-এর অর্থ আহ্বান করা। আল্লাহ তাআলার বান্দাদেরকে কিভাবে তাঁর পথে আহ্বান করা যায়? কিভাবে তাদেরকে ধাবিত করা যায় ইহকালীন ও পরকালীন শান্তির একমাত্র বিধান-শরীয়তে মুহাম্মাদীর প্রতি? কিভাবে আশরাফুল মাখলুকাত মানব সমাজ তার শ্রেষ্ঠত্বের দাবি পূরণ করবে? এ সকল বিষয়ের সঠিক জবাব খোঁজ করা এবং সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এ বিভাগের উদ্দেশ্য। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে মারকায চায় উচ্চতর বাস্তবমুখি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমন একদল মেধাবী দাঈ (আল্লাহর পথে আহ্বানকারী) তৈরি করতে, যারা :
ক) স্থান-কাল-পাত্র ভেদে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক হিকমত অবলম্বনের মাধ্যমে মানুষকে আহ্বান করবে চির শান্তির দ্বীন ইসলামের পথে।
খ) সাধারণ শিক্ষিত সমাজ ও আলেমদের মাঝে বিরাজমান দূরত্ব কমিয়ে এনে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের মনে ইসলামের আলো জ্বেলে তাদেরকেও দাঈ রূপে তৈরি করতে সচেষ্ট হবে।
গ) ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফেরদের বিশেষত পাশ্চাত্যের ইসলাম বিদ্বেষীদের ছড়ানো মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা, শাশ্বত ইসলামের কল্যাণমুখি ইনসাফভিত্তিক বিধানের বিরুদ্ধে তাদের অন্যায় বিষোদগার সম্পর্কে সদা জাগ্রত থাকবে এবং তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়ে মুসলমানদের ঈমান-আমলের হিফাযতে যথাযথ ভূমিকা রাখবে।
ঘ) আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের মৌলিক আকীদা-বিশ্বাস ও ধ্যান-ধারণার সঠিক উপস্থাপন এবং সর্বপ্রকার বিদআত, কুসংস্কার, অসার ও ভিত্তিহীন আকীদা-বিশ্বাসের অপনোদন করবে।
মারকাযুদ দাওয়াহর মৌলিক কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধারাটি হচ্ছে তালীম তথা শিক্ষা।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমি শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতির উন্নতির কথা কল্পনা করা যায় না। বলাবাহুল্য, সে শিক্ষা হল ওহীভিত্তিক শিক্ষা, যা মানব জাতির ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ ও নৈতিক উন্নতি সাধনে সক্ষম। তাই মারকাযুদ দাওয়া চায় এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা :
১. যার মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত কোনো ধরনের ভেদাভেদ ছাড়াই সকল শিক্ষার্থী কুরআন, হাদীস, ফিকহ ও আকাইদ সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদির উপর প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করতে সক্ষম হবে। সাথে সাথে মাতৃভাষা, আন্তর্জাতিক ভাষা, ইসলামী ভাষা (আরবী), অংক, বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়াদির উপরও অর্জন করবে মৌলিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের জ্ঞান।
২. মাধ্যমিক পর্যায়ের পর শিক্ষার্থীরা মেধা, মনোযোগ ও রুচির ভিত্তিতে বিভক্ত হয়ে যাবে বিভিন্ন ভাগে। উচ্চতর দ্বীনী শিক্ষা অর্জনের পর কেউ হবে যোগ্য আলেমে দ্বীন। আবার জাগতিক শিক্ষার বিভিন্ন বিভাগে অধ্যয়নের মাধ্যমে গড়ে উঠবে বিভিন্ন পেশার যোগ্য ও আদর্শ জনবল।
এভাবে সমাজের যে শ্রেণিতেই একজন মুসলমান কর্মরত থাকবে সে মনেপ্রাণে ইসলামের আদর্শ লালন করার কারণে পেশাগতভাবে যেমন হবে দায়িত্বশীল ও কর্মঠ তেমনি থাকবে সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত। তখন কোনো চিকিৎসক রোগীকে, রোগী চিকিৎসককে, কোনো ক্রেতা বিক্রেতাকে, বিক্রেতা তার ক্রেতাকে, মজদুর মালিককে এবং মালিক মজদুরকে ঠকানোর চিন্তাও করবে না। আর এভাবেই একদিন গড়ে উঠবে কাঙ্খিত আদর্শ সমাজব্যবস্থা।
৩. যারা আলেমে দ্বীন হবেন তাদের মধ্য থেকে উলেখযোগ্য সংখ্যক মেধাবী ও কর্মঠ যুবক দ্বীনী ইলমের বিভিন্ন বিভাগে উচ্চতর গবেষণায় রত হবেন। উলূমুল কুরআন (তাফসীর, উসূলে তাফসীর ইত্যাদি), উলূমুল হাদীস, ফিকহ (ইসলামী আইন), ইফতা, আরবী সাহিত্য, ইতিহাস এবং অন্যান্য ইসলামী বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ উস্তাদের তত্ত্বাবধানে সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে তারা নিজ নিজ বিভাগে দক্ষতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ হিসাবে গড়ে উঠবেন।
৪. এ শিক্ষা ব্যবস্থার সিলেবাসে পরিবর্তনের সাথে সাথে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন ঘটবে পাঠদান পদ্ধতিতে। নাহব-সরফ তথা আরবী ব্যাকরণের পাঠদানে যেমনিভাবে গ্রহণ করতে হবে সহজ, সরল ও আধুনিক পদ্ধতি, তেমনিভাবে তাফসীর, হাদীস, ইতিহাস ইত্যাদির অধ্যাপনা হবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিদগ্ধজনের মাধ্যমে বিশ্লেষণধর্মী যুযোগযোগী পন্থায়। এসব বিষয়ের আলোচনা এমনভাবে হতে হবে, যেন কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আধুনিক বিশ্বের সমস্যাবলি ও প্রশ্নাবলির উত্তম সমাধান ফুটে উঠে।
এমনিভাবে ফিকহ বিষয়ের পাঠদানের ক্ষেত্রে সমকালীন উত্থাপিত প্রশ্নাবলির জবাবও থাকবে অধ্যাপনার বিশেষ অংশ। বিচার ও ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি বিষয়ের অধ্যয়ন হবে বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে।
মূলত মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া চায় এমন একটি যৌথ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে, যাতে শিক্ষা শেষে যেকোনো জাগতিক পেশায় নিয়োজিত একজন ব্যক্তি হবেন সত্যিকারের মুসলমান। তখন ইসলামী অনুশাসন মেনে চলা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং নীতিবান আমলা দ্বারা আল্লাহ তাআলা প্রদর্শিত সঠিক পথে পরিচালিত হবে সমাজ। সাথে সাথে ইসলামী বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ আলেমগণও হবেন দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় জাগতিক বিষয়াদি এবং আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়াদি সম্পর্কে সচেতন ও প্রয়োজনীয় জ্ঞানের অধিকারী।
এটি মারকাযের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষায়িত বিভাগ। আল্লাহ তাআলার মেহেরবানিতে এর অধীনে নিম্নোক্ত শাখাগুলোতে কাজ চলমান রয়েছে :
ক) হাদীস, ফিকহ, তাফসীর, আকাইদ, আদব ও তারীখ ইত্যাদির প্রাচীন পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা, সংস্করণ ও মুদ্রণ।
খ) সীরাত সম্পর্কিত রেওয়ায়েতসমূহ যাচাই-বাছাই করতঃ একটি সহীহ সীরাত গ্রন্থ রচনা করা।
গ) ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনাসমূহের শুদ্ধাশুদ্ধি যাচাইপূর্বক একটি সহীহ গ্রন্থ প্রণয়ন করা।
ঘ) প্রাচ্যবিদদের রচনাবলির ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করে তাদের ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন এবং এর বিপরীতে সহীহ ও বিশুদ্ধ মতাদর্শ পেশ করা।
এ ছাড়াও আরো মৌলিক জরুরি বিষয়াবলির উপর গবেষণামূলক প্রামাণ্য গ্রন্থাবলি প্রণয়ন করা।
আদর্শ
* মতানৈক্যপূর্ণ মাসআলার পরিবর্তে তাওহীদ ও সুন্নতের প্রতি মনোযোগ নিবদ্ধ রাখা।
* ইত্তিবায়ে সুন্নতের জযবা ও ফিকির/সুন্নত অনুসরণের আগ্রহ ও চেতনা।
* তাআল্লুক মাআল্লাহ বা আল্লাহ তাআলার সাথে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা ও ফিকির। সর্বদা আল্লাহর স্মরণ, আল্লাহর সামনে নিজের উপস্থিতির ধ্যান এবং ঈমান ও ইহতিসাবের জযবা ও চেতনা।
* আল্লাহর দ্বীন যিন্দা করার জযবা ও চেষ্টা এবং দ্বীনী চেতনা ও দ্বীনা আত্মমরযাদাবোধ।
মারকাযের আর্থিক বিষয়াদিও এই নীতির উপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হবে। এমন কোনো পদ্ধতির চাঁদা করা যাবে না, যাতে দাতার স্বতঃস্ফূর্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। অথবা তিনি লজ্জায় পড়ে বা চাপে পড়ে দিচ্ছেন- এমনটি অনুমিত হয়। এছাড়া নিয়তের গড়মিল সুস্পষ্ট বোঝা যায় এমন অনুদান গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে হবে। একই লক্ষ্যে যে সকল দানে দ্বীন, ইলম ও উলামায়ে কেরামের সম্মান ক্ষুণ্ন হয় কিংবা যে সকল দান হারাম উপার্জন-নির্ভর হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে কিংবা যে দানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানে দাতাদের প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থাকে-এ ধরনের সকল দান/চাঁদা থেকে বিরত থাকতে হবে।
দাওয়াত, তাবলীগ, তালীম, তরবিয়ত এবং তাসনীফ ও তালীফের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান অবক্ষয় রোধ করে প্রাণ ও গতিশীলতা সৃষ্টি করা। অর্থাৎ
চলমান…… আসবে।
বায়তুলমোকাররমেরমিম্বরথেকে [১৭রবিউলআখির১৪৪৭হি./১০অক্টোবর২০২৫ঈ.] হামদ ও সালাতের পর… قَدْ كَانَتْ لَكُمْ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ فِیْۤ اِبْرٰهِیْمَ وَالَّذِیْنَ مَعَهٗ اِذْ قَالُوْا لِقَوْمِهِمْ اِنَّا بُرَءٰٓؤُا مِنْكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُوْنَ
রাবর, মাননীয় মুফতী সাহেব মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা বিষয় : কালিমাতুত তাওহীদের অর্থ সংক্রান্ত বিভ্রান্তি প্রসঙ্গে জনাব, যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শন
অবশেষে দীর্ঘ প্রায় অর্ধ শতাব্দী পর সিরিয়া থেকে একনায়ক ও স্বৈরাচারী আসাদ পরিবারের শাসনের সমাপ্তি ঘটল। গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৪